যাকে ধারণ ক’রে মানুষ ভালভাবে বাঁচতে পারে, —অপরকে বাঁচাতে পারে এবং আত্মবিকাশের পথে নিজে অগ্রসর হওয়ার সাথে সাথে অপরকে অগ্রসর হতে সাহায্য করিতে পারে, তা-ই হলো মানব ধর্ম। আর এই মানব ধর্মই হলো মহাধর্ম।                  —মহামানস
step0001.jpg
যে পথ ও পদ্ধতিকে ধারণ করে একজন মানুষ নিজেকে— নিজের স্বরূপে উপলব্ধি করতে পারে, আরো ভালো জীবন লাভে সক্ষম হতে পারে, এবং পূর্ণবিকশিত মানুষ হয়ে ওঠার লক্ষ্যে দ্রুত অগ্রসর হতে পারে— তা’ই হলো ‘মহাধর্ম’।   —মহামানস

ভূমিকা

 

 একজন মানুষ রূপে, আমরা প্রত‍্যেকেই একটি সহজ ধর্ম নিয়ে জন্ম গ্রহণ করে থাকি, তা' হলো~ মানবধর্ম। কিন্তু সমাজ-সংসার সেই মানবত্বলাভ মুখী স্ব-বিকাশ মূলক স্বাভাবিক ধর্ম থেকে আমাদেরকে বিচ্যুত করে--- বিপথগামী করে, কোনো একটি বিশ্বাস ভিত্তিক ধর্ম নামক অধর্ম আমাদের উপর আরোপ করে বা চাপিয়ে দেওয়ার ফলে, আমরা স্বতঃস্ফূর্ত মনোবিকাশের পথ থেকে সরে এসে অন্ধের মতো গড্ডালিকা প্রবাহে ভেসে চলেছি।


এইভাবে হাজার হাজার বছর ধরে চলতে চলতে আজ আমরা মানবজীবনের মূল লক্ষ্য~ পূর্ণ বিকশিত মানুষ হয়ে ওঠার লক্ষ্য থেকে বহুদূরে সরে এসেছি। এতদিনে স্বাভাবিকভাবে যতটা মনোবিকাশ তথা মানববিকাশ হওয়ার ছিল আমাদের, তার কিয়দংশ বিকাশও হয়ে ওঠেনি আজ।

 

ক্রমশ আত্মবিকাশ লাভের মধ্য দিয়ে মানবত্ব লাভের উদ্দেশ্যে --- বিস্মৃতপ্রায় মানবধর্মকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে, মানুষকে তার মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনতে, সময়ের চাহিদা মতো আত্মপ্রকাশ করেছে~ 'মহাধর্ম'। বিমূর্ত মানবধর্মের মূর্ত রপই হলো~ মহাধর্ম।

 

একে সঠিকভাবে বুঝতে হলে, পূর্বলব্ধ সংস্কার --বিশ্বাস থেকে মুক্ত হয়ে, প্রচলিত ধর্ম-- শাস্ত্র-- মত এবং বিভিন্ন ব্যক্তির উক্তির সঙ্গে তুলনা না করে, নিরপেক্ষ যুক্তি-বিচার সহ মুক্তমন নিয়ে সত্য উপলব্ধির উদ্দেশ্যে এগিয়ে যেতে হবে। এ'হলো বিশুদ্ধ জ্ঞানের পথ।

 

এখানে একটা কথা উল্লেখনীয়, সহজ-প্রবৃত্তি এবং সহজ-ধর্মের সঙ্গে কিছু নীচ প্রবৃত্তি, কিছু আদিম বা পাশবিক ধর্মও আমরা জন্মসূত্রে লাভ করে থাকি। এখন, সেগুলিকে অনিষ্টকর অবদমন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অবদমিত করে নয়, সঠিক শিক্ষা ও চিকিৎসার মাধ্যমে, এবং জ্ঞান ও চেতনার আলোকে— সেইসব অন্ধকার অংশগুলিকে আলোকিত করে তুলতে হবে।   

 

যা সম্ভব হয়ে ওঠে, মানবধর্মের পথ ধরে অনেকটা এগিয়ে থাকা মানুষের লব্ধ জ্ঞান-অভিজ্ঞতা, শিক্ষা ও উপদেশ লাভের মাধ্যমে। তাঁদের উদ্ভাবিত কিছু বিশেষ উপায় বা পদ্ধতি অনুশীলনের মাধ্যমে। এ-ও মানবধর্ম তথা মহাধর্ম-এর একটি অংশ। বিশ্বাস ভিত্তিক এবং প্রতারণামূলক ধর্ম পথে এটা কখনোই সম্ভব নয়।

এক বিস্ময়কর নতুন জগৎ আপনার জন্য অপেক্ষা করছে!

 

এ’এক শান্তি ও আনন্দের জগৎ —প্রকৃত অধ্যাত্ম জ্ঞানের জগৎ, প্রকৃত ভালবাসা— শাশ্বত প্রেমের জগৎ, —যা আপনি চিরিদিন চেয়ে এসেছেন। এখানে আপনি বহু কিছু নতুন ক’রে আবিষ্কার করবেন, —এমনকি নিজেকেও! এক বিস্ময়কর নতুন জীবন আপনার জন্য অপেক্ষা করছে এখানে!

প্রাক-কথন

শুরুতেই, কবির একটা বাণী মনে পড়ে গেল। ‘জন্মিলে মরিতে হবে— অমর কে কোথা কবে’। শুধু উদ্ভিদ আর জীব জগতেই নয়, সমস্ত ক্ষেত্রেই, মায় মহাবিশ্ব পর্যন্ত, যার জন্ম হয়েছে— তার মৃত্যু হবে। যার শুরু আছে— তার শেষ আছে। সৃষ্টি হলেই একসময় তার ধ্বংস অনিবার্য।

ধর্মের ক্ষেত্রেও সেই এককথা। প্রচলিত সমস্ত ধর্মগুলি এক এক সময়—এক একজন বা কয়েকজনের দ্বারা সৃষ্টি হয়েছে। আবার পূর্বনির্ধারিত ভাবেই যখন যার শেষ হবার— শেষ হয়ে যাবে।

আচ্ছা? —একবারও কি আপনাদের মনে হয়না, আপনারা যে— যে ধর্ম অনুসরণ করে চলেছেন, সেই সেই ধর্মের স্রষ্টা যে বা যাঁরা— তাঁদের ধর্ম কি ছিলো?! তাঁদের পিতা—প্রপিতার ধর্ম কি ছিলো? তাঁদের পূর্বাদিপূর্ব পুরুষদের ধর্ম কি ছিলো?!

একবারও কি প্রশ্ন জাগেনা? শিকড়ের সন্ধানে একবারও কি চিন্তা-ভাবনার উদয় হয়না আপনাদের মনোজগতে?

হ্যাঁ, তখনো ধর্ম ছিলো। আমরা আমাদের জ্ঞাতে বা অজ্ঞাতে তা’ অনুসরণ করে এসেছি। তা’ হলো— আত্ম-বিকাশমূলক ধর্ম— মানব ধর্ম। মানুষ সৃষ্টির সাথেসাথেই ঈশ্বর তথা জাগতিক ব্যবস্থাই এই ধর্ম সৃষ্টি করেছে। যতদিন মানবজাতি থাকবে— মানবধর্মও থাকবে ততদিন।

এই সাধারণ কথাটা আমাদের অবোধ মন কিছুতেই বুঝতে পারেনা, বুঝতে চায়না! আরে! ঈশ্বর সৃষ্ট ধর্ম —এত প্রকারের — এত ভিন্ন ভিন্ন প্রকৃতির হবে কেন?! বিভিন্ন চেতন-স্তরের জন্য হলে, তাও একটা কথা ছিলো। ঈশ্বর সৃষ্ট ধর্মতো সর্বত্র একই হবে! এক এক জায়গায় এক এক রকমের হবেনা। আর, তা’ হবে আত্ম-বিকাশ মূলক —মানব-উন্নয়ন মূলক ধর্ম।

একবারও কি কখনো প্রশ্ন জেগেছে মনে— যে ঈশ্বরকে নিয়ে আমরা এতো মাতামাতি করি, এতো যার উপাসনা করি— যার কাছে দিন-রাত প্রার্থনা করি—, সেই ঈশ্বরের ধর্ম কী?

ঈশ্বরের ধর্মও সেই আত্ম-বিকাশের ধর্ম— মহাধর্ম। মানুষের ক্ষেত্রে তাকেই আমরা বলি, মানব ধর্ম। মানব চেতন-স্তরে এই মানব ধর্মই— মহাধর্ম। আত্ম-বিকাশের বিভিন্ন পর্যায়—বিভিন্ন স্তর আছে। প্রতিটি স্তরের ধর্মের মধ্যেও কিছু কিছু পার্থক্য রয়েছে। যেমন, শৈশবের ধর্ম, কৈশোরের ধর্ম, যৌবনের ধর্ম প্রভৃতি। আত্ম-বিকাশ জীবন তথা মহাজীবনের মূল কথা হলেও, প্রতিটি পর্যায়ের মধ্যে মাত্রাগত— আচরণগত পার্থক্য রয়েছে।

আমরা— কীট-চেতন-স্তর, পশু-চেতন-স্তর, আদিম-মানব-চেতন-স্তর প্রভৃতি বিভিন্ন স্তর পেরিয়ে এসে এখন মানব-চেতন-স্তরে উন্নীত হয়েছি। যে পর্যায়ের যে ধর্ম—যে কাজ, তা’ শেষ করতে না পারলে, আমরা ঊর্ধতন স্তরে পৌঁছাতে পারবো না। নিম্ন-চেতন-স্তরগুলোতে আছে— দুঃখ-কষ্ট-যন্ত্রনা —শোক-সমস্যা-হতাশা! যত উচ্চ-চেতন-স্তরে উন্নীত হব, ততই এই সমস্ত দুঃখ-কষ্ট থেকে মুক্তি ঘটবে আমাদের।

এইভাবে, ধাপে ধাপে আমরা দেব-চেতন-স্তর —ক্রমে ঈশ্বর-চেতন-স্তরে উপনীত হবো। বাঘের বাচ্চাতো বাঘই হবে! ঈশ্বরের সন্তান ধাপে ধাপে একসময় ঈশ্বর হয়ে উঠবে! আমাদের জীবনের অন্তর্নিহিত লক্ষ্য এটাই। পূর্ণ বিকাশলাভ। এই লক্ষ্য কারো কারো কাছে স্পষ্ট— কারো কারো কাছে নয়। আগামী স্তরগুলিতে পৌঁছাতে হলে, আমাদেরকে পূর্ণ বিকশিত মানুষ হয়ে উঠতে হবে সবার আগে। তার জন্য করণীয় যা, —তা-ই হলো মানব ধর্ম। এই মানব ধর্মই— মহাধর্ম।

আরও পড়তে >এখানে ক্লিক করুন<

মহাধর্ম : সারকথা

আজ আমি আপনাদেরকে মানব-ধর্ম ভিত্তিক আত্ম-বিকাশমূলক যুগোপযোগী ধর্ম— মহাধর্ম-এর সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে প্রয়াসি হয়েছি।

মহাধর্ম হলো আসলে মানব ধর্ম। আমাদের মূলগত— প্রাথমিক ধর্ম। আত্ম-বিকাশ তথা মানব-বিকাশের জন্য অনুশীলনীয় ধর্ম। শ্রেষ্ঠতর জীবনলাভের নিশ্চিত উপায়।

সারকথা— “তোমার একটি সচেতন মন আছে বলেই— তুমি মানুষ। তবে তোমার এই মনটি এখনও যথেষ্ট বিকশিত নয়। যথেষ্ট বিকশিত একজন মানুষ হয়ে উঠতে— তোমার এই মনটির বিকাশ ঘটানো আবশ্যক। আর এটাই তোমার প্রাথমিক ধর্ম।”

“তুমি একজন মানুষ রূপে জন্ম গ্রহন করেছ, তাই তোমার জীবনের প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য হলো— পূর্ণবিকশিত মানুষ হয়ে ওঠা। জীবনের লক্ষ্যসহ— নিজেকে এবং এই জাগতিক ব্যবস্থাকে জানতে, সর্বদা সজাগ—সচেতন থাকতে চেষ্টা কর। নিজেকে প্রকৃত ও সর্বাঙ্গীন বিকশিত মানুষ ক’রে তুলতে উদ্যোগী হও।”

“জন্মসূত্রে বা ইচ্ছাক্রমে তুমি যে ধর্মেরই অন্তর্ভুক্ত হওনা কেন, তোমার প্রথম পরিচয়— তুমি একজন মানুষ। একজন মানুষ হিসাবে, তোমার প্রধান ও মৌলিক ধর্মই হলো— মানব-ধর্ম। আর এই মানব ধর্ম-ই মহাধর্ম। সর্বাঙ্গীন সুস্থতা সহ মানবমনের বিকাশ সাধনই যার মূল কথা।”  

“আমরা এখানে এসেছি— এক শিক্ষামূলক ভ্রমনে। ক্রমশ উচ্চ থেকে আরো উচ্চ চেতনা লাভই— এই মানব জীবনের অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য। একানে আমরা জ্ঞান—অভিজ্ঞতা লাভের মধ্য দিয়ে যত বেশি চেতনা-সমৃদ্ধ হয়ে উঠতে পারবো, —তত বেশি লাভবান হবো। আধ্যাত্মিক দৃষ্টিকোণ থেকে— এখান থেকে চলে যাবার সময় কিছুই আমাদের সঙ্গে যাবে না, —একমাত্র চেতনা ব্যতিত।” —মহামানস

সর্বপ্রথম আমাদের বুঝতে হবে— এই মহাধর্ম আসলে কী। মহাধর্ম হলো—   মানবধর্ম, আমাদের মৌলিক ধর্ম— মানুষ গড়ার ধর্ম। এই ধর্ম প্রচলিত কোনো ধর্ম বা রিলিজিয়নের সাথে তুলনীয় নিয়। ঈশ্বর ও বিশ্বাস এই ধর্মের মূল ভিত্তি নয়। এর ভিত্তি হলো— যুক্তি-বিজ্ঞান ও অধ্যাত্ম বিজ্ঞান। মহাধর্ম প্রচলিত ধর্মগুলি থেকে সম্পূর্ণতঃ ভিন্ন।

সঠিক আত্ম-বিকাশ শিক্ষাক্রম— ‘মহামনন’-এর (মহামনন হলো মহাধর্ম-এর ব্যবহারিক দিক) পথ ধরে প্রকৃত আত্মোন্নয়ন ও মানবোন্নয়ন ঘটানোই হলো— আমাদের প্রাথমিক বা মূলগত ধর্ম। চিরিন্তন মানবধর্মকে কেন্দ্র ক'রে গড়ে ওঠা— মহাধর্মকে আপাতদৃষ্টিতে একটি নতুন ধর্ম মনে হলেও, এটা কোনো নতুন ধর্ম নয়। এ’ হলো আমাদের শাশ্বত ধর্ম। আমাদের অজ্ঞানতার কারণে যা এতকাল ছিলো অন্তরালে। আত্ম-বিস্মৃত মানুষ আমরা আমাদের জীবনের মূল লক্ষ্যকে বিস্মৃত হয়ে, মোহ-আবেশে আচ্ছন্ন হয়ে— একটা ঘোরের মধ্যে বাস করছি।

যে ধর্ম অনুশীলনের মধ্য দিয়ে একজন ব্যক্তি সজাগ-সচেতনভাবে দ্রুত পূর্ণবিকশিত মানুষ হয়ে ওঠার পথে অগ্রসর হতে পারে, তাই হলো মহাধর্ম (পড়ুন— 'মানবধর্ম আসলে কী')। 

ব্যক্তি মানুষের বিকাশের মধ্য দিয়েই দেশের এবং মানবজাতির বিকাশ সম্ভব। আর সেই উদ্দেশেই মহাধর্ম কার্যক্রম শুরু হয়েছে। একে সফল ক’রে তুলতে আপনার সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন, এবং সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহন করুন। আপনি আপনার এলাকাতেই মহাধর্ম কার্যক্রম শুরু করতে পারেন। 

 

     আরও পড়তে> এখানে ক্লিক করুন<

যে পথ ও পদ্ধতিকে ধারণ ক’রে একজন মানুষ নিজেকে— নিজের স্বরূপে উপলব্ধি করতে পারে, আরো ভালো জীবন লাভে সক্ষম হতে পারে, এবং পূর্ণ বিকশিত মানুষ হয়ে ওঠার লক্ষ্যে দ্রুত অগ্রসর হতে পারে, তা’ই হলো— ‘মহাধর্ম’।
ই-বুক ফ্রী-ডাউনলোড করুন
‘মহাধর্ম’ হলো—   অন্ধ-বিশ্বাস মুক্ত যুগোপযোগী মানব-বিকাশমূলক ধর্ম। মানব ধর্ম। সদস্য হোন। আপনার এলাকায় শাখা-কেন্দ্র গড়ে তুলুন। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন।

আমাদের এই মহাকর্মযজ্ঞে স্বেচ্ছাসেবী অনুবাদক (বাংলা থেকে হিন্দী / ইংরাজী) প্রয়োজন। আগ্রহীগণকে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করছি।  

সদগুরু—   মহর্ষি মহামানস
যোগাযোগ-- +৯১ ৮৫৩৮৮০৫৭৫১
“মানবকেন্দ্রিক যত অশান্তি ও যত সমস্যা, তার অধিকাংশের মূল কারণ হলো— জ্ঞান ও চেতনার স্বল্পতা এবং শরীর ও মনের অসুস্থতা” —মহামানস

মহাধর্ম গ্রহণ সম্পর্কে

আমরা কাউকে ধর্মান্তরিত (কনভার্ট) করতে আগ্রহী নই। আমরা কেবলমাত্র তাঁদেরকেই কামনা করি, যাঁরা আমাদের সমমনস্ক— সম-মত পোষণকারী— সমধর্মী এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে মহাধর্ম গ্রহণে ইচ্ছুক।

মহাধর্ম যেহেতু মানুষের মৌলিক ধর্ম, তাই যেকোন মানুষ তাঁর পূর্বেকার ধর্ম পরিত্যাগ না করেও ‘মহাধর্ম’ গ্রহণ ও পালন করতে পারবেন।

তবে, যাঁরা সক্রিয় সদস্য হতে চান, যাঁরা পরিপূর্ণভাবে মহাধর্ম অনুসরণ করতে চান, তাঁদেরকে অন্যান্য মতবাদ পরিত্যাগ ক’রে— সম্পূর্ণরূপে মহাধর্মী/মহাধর্মীন হয়ে উঠতে হবে।

দীক্ষা শুধুমাত্র তাঁদেরকেই দেওয়া হবে, যাঁরা পরিপূর্ণভাবে মহাধর্ম অনুসরণ করতে ইচ্ছুক, এবং মহাধর্ম সংসদের সক্রিয় সদস্য হতে ইচ্ছুক।  

মহাধর্ম যাঁদের জন্য

মহাধর্ম-এর মুল সুরের সাথে যাঁদের মন-বীণার সুরের মিল আছে, মহাধর্ম-কে ভালবেসে যাঁরা গ্রহন করবে, তাঁদের জন্যই মহাধর্ম। সাধারণতঃ মুক্তমনের যুক্তিবাদী সত্যপ্রিয় জ্ঞানপিপাসু  আত্ম-বিকাশকামী মানুষরাই মহাধর্ম গ্রহন করে থাকেন। 

মহাধর্ম-এর সদস্যগণ যে যে ক্ষেত্রগুলিতে লাভবান হবেন। জানতে এখানে ক্লিক করুন> 

মানব ধর্ম আসলে কি > পড়ুন 

ডাউনলোড ফ্রী ই-বুক 

জাগো ওঠো, বিকাশলাভ করো 

মানবদেহী বা মানবদেহধারী হলেই যে সে মানবত্ব লাভ করেছে অথবা তার আয়ুষ্কালের মধ্যেই মানবত্ব লাভ করতে পারবে, তেমন নয়। মানবত্ব লাভ হলো— পূর্ণবিকশিত মানুষ হয়ে ওঠা। মানব জীবনের প্রথম ও প্রধান লক্ষ্যই হলো— মানবত্ব লাভ।

একজন মানবদেহী (মানবদেহ ধারী) যে ধর্মরূপ পথ ও পদ্ধতি অবলম্বন ক’রে মানবত্ব লাভ করতে পারে, সেই ধর্মই হলো— মানবধর্ম।

নানা মতবাদ অনুসরণ ক’রে ঈশ্বর ও স্বর্গরূপ মরীচিকার পিছনে অন্ধের মতো ছুটে চলা— মানবধর্ম নয়।

দেবত্ব এবং তৎপরবর্তী ঈশ্বরত্ব আমাদের মধ্যেই সুপ্তাবস্থায় এবং বিকাশের অপেক্ষায় রয়েছে। দেবত্ব এবং ক্রমে ঈশ্বরত্ব লাভের জন্য আমাদেরকে মানবত্ব লাভ করতে হবে সর্বাগ্রে।

কর্ম ও ভোগের মধ্য দিয়ে— জ্ঞান-অভিজ্ঞতা লাভের মধ্য দিয়ে— ক্রমশ মনোবিকাশ তথা চেতনার বিকাশ লাভ করা— আমাদের স্বভাবধর্ম। কিন্তু, আমাদের ভিতরে—বাইরে—চারিপাশে বিকাশের অনুকূল অবস্থা না থাকায়, নানা প্রতিকূলতা থাকায়, বিকাশ-উপযোগী ব্যবস্থা গ্রহন —আবশ্যক হয়ে পড়ে।মানবধর্ম 'মহাধর্ম' হলো সেই অত্যাবশ্যক ব্যবস্থা। একটা চারাগাছের সঠিক বিকাশের জন্য যেমন যত্ন-পরিচর্যা-সুরক্ষাসহ পুষ্টি ও সুস্থতার জন্য ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়, এ-ও ঠিক তেমনি।

মানুষের প্রকৃতি অনুযায়ী— বহু পথ বা মার্গ ধরে মানুষ অগ্রসর হয়ে থাকে। তার মধ্যে নিম্নগামী পথগুলি বাদ দিয়ে কর্মপথ—ভক্তিপথ—জ্ঞানপথ –এসবই মিলিত হয়েছে মহাধর্ম পথে। কর্ম ব্যতীরেকে ভক্তিপথ-জ্ঞানপথ –কোনো পথেই অগ্রসর হওয়া সম্ভব নয়। আবার জ্ঞানপথেও ভক্তি থাকে। সে হলো জ্ঞানের প্রতি ভক্তি— সত্যের প্রতি ভক্তি। তবে তা’ অন্ধ ভক্তি নয়। অন্ধভক্তির পথ হলো নিম্নমূখী পথ –অধঃপতনের পথ।

ধর্মরূপ যে যুক্তিসম্মত পথ-পদ্ধতি ও ব্যবস্থা— একজন মানবদেহীকে মানবত্ব লাভে সাহায্য করে— তা-ই হলো মানবধর্ম। আর, এই মানবধর্মই— মহাধর্ম।

আত্ম-বিস্মৃত— মোহগ্রস্ত— পথভ্রষ্ট মানুষকে তার জীবনের মূল লক্ষ্য সম্পর্কে সচেতন ক’রে তুলতে, তাকে স্ব-ধর্মে (মানবধর্মে) প্রতিষ্ঠিত করতে, এবং স্বচ্ছন্দে সেই লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে ‘মহাধর্ম’ হাজির। শুধু তাকে গ্রহন করতে হবে— তাকে ধারণ করতে হবে।

অন্যান্য ধর্মের সাথে মহাধর্ম-এর মূলগত পার্থক্য

‘মহাধর্ম’ হলো মানুষের মৌলিক ধর্ম— মানবধর্ম ভিত্তিক যুগোপযোগী ধর্ম। অন্যান্য ধর্ম হলো অন্ধ-বিশ্বাস ভিত্তিক ধর্ম। ‘মহাধর্ম’ মূলতঃ যুক্তি ও অধ্যাত্ম-বিজ্ঞান ভিত্তিক ধর্ম। মানববিকাশ মূলক ধর্ম।

অন্যান্য ধর্মের লক্ষ্য— ঈশ্বরলাভ, ঈশ্বরের কৃপা লাভ, স্বর্গলাভ প্রভৃতি। মহাধর্মের অন্তিম লক্ষ্য—  ঈশ্বরত্ব লাভ হলেও, বিকাশমান চেতনার পথে— এই মানব-চেতন-স্তরে ঈশ্বরত্ব লাভ সম্ভব নয়, সে অনেক দূরের ব্যাপার, তাই, মহাধর্ম-মত-অনুসারে এই মানব-জীবনের আপাত লক্ষ্য হলো— পূর্ণ বিকশিত মানুষ হয়ে ওঠা। উচ্চ থেকে ক্রমোচ্চ— আরো কয়েকটি চেতনস্তর পার হয়ে— অন্তিমে আমরা ঈশ্বর-চেতন-স্তরে পৌঁছাবো। এই জীবনে পূর্ণ বিকশিত মানুষ হয়ে ওঠা— মানবত্ব লাভই এই ধর্মের প্রধান লক্ষ্য। বাঘের বাচ্চা তো বাঘই হবে, না কী?

অন্যান্য ধর্মের প্রধান ধর্ম-কর্ম হলো— নিয়মিতভাবে ঈশ্বর উপাসনা, প্রার্থনা এবং নিজনিজ ধর্মীয় রীতি-নীতি শাস্ত্র অনুসারে ধর্মানুষ্ঠান প্রভৃতি সম্পন্ন করা। মহাধর্মের প্রধান ধর্ম-কর্ম হলো— যুক্তি ও অধ্যাত্ম-বিজ্ঞানের পথে— সচেতনভাবে মনোবিকাশ— মানববিকাশ ও সুস্থতা লাভের জন্য কর্তব্য কর্ম করা। যুক্তিবাদী হয়ে— জ্ঞানের পথ ধরে সুস্থ-সমৃদ্ধ-সুন্দর জীবন লাভ করাই একজন মহাধর্মীনের লক্ষ্য, এবং তার জন্য কর্তব্য কর্মই হলো মহাধর্মের ধর্ম-কর্ম। এখানে দেবতা, ঈশ্বর ও গুরু পূজার অবকাশ নেই। 

আপনিও কি একই পথের পথিক? আসুন, আমরা সবাই মিলে এক উন্নত পৃথিবী গড়ে তুলি।

প্রতিটি মানুষই বিকাশলাভ করে চলেছে। বিকাশলাভই মানুষের মৌলিক ধর্ম— স্বভাবধর্ম। তবে, শরীর-মনের অবস্থা, পরিবেশ-পরিস্থিতি, সুযোগ-সুবিধা, বাধা-বিঘ্ন-অভাব, প্রতিকূলতা, সুস্থতা-অসুস্থতা, সু বা কু শিক্ষা প্রভৃতি সাপেক্ষে কারো বিকাশ ঘটছে খুব ধীর গতিতে, আবার কারো বিকাশ ঘটছে স্বচ্ছন্দে— সঠিকভাবে। কেউ সমগ্র আয়ুষ্কালের মধ্যে অতি সামান্যই বিকশিত হতে পারছে, কেউ যথেষ্ট বিকাশলাভে সক্ষম হচ্ছে।

এই বিকাশ হলো— মনোবিকাশ— আত্ম-বিকাশ— চেতনার বিকাশ। যার ফল স্বরূপ ঘটে মানব বিকাশ।

একটা পোষ্য চারাগাছকে যেমন প্রয়োজনীয় আলো—বাতাস—জল—খাদ্য, পরিচর্যা ও সুরক্ষা দিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যথেষ্ট বিকশিত করে তোলা হয়, মহাধর্মও তেমনিভাবে একজন মহাধর্মানুসারীর সার্বিক বিকাশ ঘটাতে সাহায্য করে থাকে।

এখানেও কিছুকিছু নিয়ম-নীতি-পদ্ধতি আরোপ করা হয়ে থাকে, তবে তা’ করা হয়, বিকাশের প্রয়োজনে— বাধা-বিঘ্ন-প্রতিকূলতা অপসারণের জন্যে, শরীর-মনের সুস্থতা লাভের প্রয়োজনে।

অন্ধ-বিশ্বাস হলো বিকাশের পরিপন্থি। তাই, অন্যান্য ধর্ম সরাসরি মানুষের বিকাশ ঘটাতে পারেনা। তাছাড়া, যথেষ্ট বিকাশ ঘটলে মানুষ আর ধর্মের বাঁধনে বাঁধা থাকেনা, তাই, অন্যান্য ধর্ম— প্রকৃত বিকাশ ঘটুক তা’ চায়না। ‘মহাধর্ম’ মানুষকে বিভিন্ন প্রতিকুলতা ও বন্ধন থেকে মুক্তির পথ দেখায়।

মানব ধর্মই মহাধর্ম। যার মূল কথা হলো— মানব বিকাশ।

ওরে অবুঝ মন—

মানব ধর্মই মহাধর্ম—

আত্ম-বিকাশ লাভে ব্রতী হও,

মানুষ রূপে জন্মেছ— তাই,

সবার আগে মানুষ হও।

পূর্ণ বিকশিত মানুষ হও।।

 

আমরা সবাই একই পথের পথিক,

ক্রম বিকাশমান চেতনার পথে—

আমরা আছিতো ঠিক?

মানবদেহ ধারণ করলেই, হয়না মানুষ ভাই—

মানবত্ব লাভ করতে— মানব ধর্ম ছাড়া গতি নাই।

মনোবিকাশের পথ ভুলে কেন—

মোহ-আবেশে আবদ্ধ রও?

মানুষ রূপে...

অজ্ঞানতাই সব অশান্তির মূলে—

শান্তি খুঁজিস মিছেইরে তুই

আসল কথা ভুলে।

মানুষ আত্ম-জ্ঞানেই হয়রে স্বাধীন,

বিকাশ-পথেই আসবে সুদিন—

অজ্ঞান-অন্ধত্ব থেকে যত পারো মুক্ত হও।

বিশ্বে শান্তি স্থাপন করতে— মহাধর্মের শরণ নাও।।

মানুষ রূপে...

ভোলা মন......

মানুষরূপে জন্ম নিয়ে—

কেন মানুষ হওয়ার কথা যাস ভুলে—

মানব ধর্মে দীক্ষা নিয়ে—

চল মানুষ গড়ার ইস্কুলে।

চল মহাধর্মের ইস্কুলে।।

মানুষ হওয়ার মানে—

পূর্ণ বিকশিত মানুষ হওয়া,

মানুষ হওয়ার মানে—

আত্ম-জ্ঞান-উপলব্ধি হওয়া।

চাই— মানব মনের বিকাশ সাধন,

একথা ভুলিসনারে মন,

সব প্রাসাদই লুটিয়ে পড়ে—

তার বনেদ গড়া না হলে।

                            মানবধর্মে...

একটি সচেতন মন আছে বলেইনা—

তুমি আজ মানুষ হলে।

সবার কাছে জাহির করো—

নিজেকে তাই মানুষ বলে!

কিন্তু, তোমার সেই সচেতন মন—

সেতো নয় যথেষ্ট চেতন!

বিকাশ ঘটাতে হবে যে তার—

মানবত্ব লাভ করতে হলে।

মানুষ হওয়ার মানে—

অজ্ঞান-অন্ধত্ব থেকে মুক্তি পাওয়া,

মানুষ হওয়ার মানে হলো—

মন-কুসুমের বিকাশ হওয়া।

মানুষ আত্ম-জ্ঞানেই হয়রে স্বাধীন,

বিকাশ-পথেই আসবে সুদিন—

ভ্রমে মন, আর কতদিন করবি ভ্রমন

আত্ম-বিকাশ লাভের পথ ভুলে।

                               মানবধর্মে...

বিকাশমান সচেতন-মনের মূর্তরূপ
মানব ধর্ম— ‘মহাধর্ম’ এবং ‘মহামনন’— আত্ম-বিকাশ যোগ শিক্ষাক্রম অনুশীলনের জন্য কলকাতা এবং বড় শহরে (সহজ শর্তে অথবা দানে) উপযুক্ত বাড়ি, জমি, অর্থ ও শ্রম দান করতে ইচ্ছুক মহামনা ব্যক্তিগণ সাহায্যের হাত এগিয়ে দিয়ে এই মহান কার্যক্রমকে সফল ক’রে তুলুন।
যোগাযোগ— ৮৫৩৮৮০৫৭৫১ / ৯৭৩৩৯৯৯৬৭৪  
আপনাদের মতামত জানাতে, এখানে ক্লিক করুণ>
মন-আমি
(মহর্ষি মহামানস-এর অধ্যাত্ম-মনোবিজ্ঞান থেকে গৃহীত)

মানব ধর্ম— ‘মহাধর্ম’ এবং মহাধর্মের অনুশীলনীয় পর্ব ‘মহামনন’ —আত্ম- বিকাশ বা মনোবিকাশ কার্যক্রমকে ভালোভাবে বুঝতে হলে, আমাদের ‘মন’ সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা থাকা আবশ্যক।

‘মন’ হলো— অনেকাংশে কম্পিউটার সফটওয়ারের মতো প্রায় বর্ণনাতীত –সাধারণের পক্ষে প্রায় বোধাতীত এক অতি সুক্ষ্ম অস্তিত্ব। মন-সফটওয়ার ও শরীর (হার্ডওয়ার), —এদের মাঝে একটি প্রাথমিক জৈব সফটওয়ার বা ভিত্তিমন সফটওয়ার আছে। এই প্রাথমিক জৈব সফটওয়ার-এর মাধ্যমেই শরীর যন্ত্রের যাবতীয় অনৈচ্ছিক ক্রিয়াকলাপাদি তথা সহজ-প্রবৃত্তিজাত কার্যাদি সংঘটিত হয়ে থাকে। শরীরকে ভিত্তি করেই এই জৈব সফটওয়ার তৈরী হয়েছে। আর, শরীরসহ এই প্রাথমিক জৈব সফটওয়ারের ভিত্তিতেই তৈরী হয়েছে— মন-সফটওয়ার।       

 

প্রাথমিক জৈব সফটওয়ার বা ভিত্তিমন সফটওয়ার এবং মন-সফটওয়ার, — উভয়েরই স্বতন্ত্র অবয়ব আছে। এই অবয়ব আমাদের বর্তমান চেতন-স্তরে ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য নয়। উচ্চতর চেতনস্তরের মন এই অবয়ব উপলব্ধি করতে সক্ষম। অন্যান্য সমস্ত অস্তিত্বশীলদের মতই উভয় সফটওয়ারেরই আছে অশরীরী দিব্য অস্তিত্ব (দ্রষ্টব্যঃ Super-existence)। একেই অনেকে আত্মা বলে থাকেন। কিন্তু, সমগ্র মন-অস্তিত্বই হলো— আত্মা। সে দেহযুক্তই হোক আর দেহাতীতই হোক (দ্রষ্টব্যঃ আত্মা)।

                                  <আরো পড়তে, এখানে ক্লিক করুন>

আত্মা—মন—পুণর্জন্ম

সমগ্র মন-ই হলো— আত্মা। আত্মা ব’লে আলাদা কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই। অহম বোধ সম্পন্ন এবং মনন ক্ষমতা সম্পন্ন চেতন সত্তাটি আসলে মন-ই। সে পার্থিব দেহ সম্পন্ন মনই হোক আর অপার্থিব দেহ সম্পন্ন মনই হোক, জীব-মনই হোক আর ঈশ্বর-মনই হোক, আসলে সে— মন। আমাদের বর্তমান মনোজগতে কতকটা স্বামী-স্ত্রীর মতই— সক্রিয় মনদুটির একটি হলো— ‘প্রাক মানব-চেতন-মন’ বা অবচেতন মন, আর অপরটি হলো— ‘মানব-চেতন-মন’ বা সচেতন মন। এরা হলো সমগ্র মনের (ক্রমবিকাশমান মনোপদ্মের ) অংশমাত্র। সমগ্র মন হলো— ক্রমবিকাশমান পদ্মের মতো। অস্ফুট চেতন-স্তর থেকে একটু একটু ক’রে ক্রমশ বিকশিত হতে হতে এক সময় পূর্ণচেতন স্তরে পৌঁছে— পূর্ণ বিকাশলাভ করবে সে।

এক একটি চেতন-স্তরের এক একটি নাম, এক এক রূপ, এবং এক এক প্রকারের কার্যকলাপ। সংক্ষেপে চেতনস্তরগুলি হলো- কীট-চেতন স্তর, সরীসৃপ-চেতন স্তর, পশু-চেতন স্তর, আদিম-মানব চেতন স্তর, মানব-চেতন স্তর, মহামানব চেতন স্তর, দেব-চেতন স্তর, মহাদেব-চেতন স্তর, এবং ঈশ্বর-চেতন স্তর। সমস্ত চেতন স্তরগুলি পৃথিবীতে লভ্য নয়। মানব-চেতন স্তরের পরবর্তী স্তরগুলি অপরাপর বিভিন্ন লোকে ক্রমশ বিকশিত হয়ে থাকে। তবে, মানব-চেতন ও মহামানব-চেতন স্তরের মধ্যবর্তী সন্ধি স্তরের ২।৪ জন মানুষকে কখনো কখনো পৃথিবীতে দেখতে পাওয়া যায়। বর্তমানে স্বল্প বিকশিত এই মানব-চেতন-মন বা সচেতন মনের যথেষ্ট বিকাশ ঘটলে তবেই পরবর্তী উচ্চ-চেতন (স্তরের) মনের মালিক হতে পারবো আমরা। তারপরেও আরো অনেক পথ পেরতে হবে এই বিকাশপথ ধরে...।

                             <আরো পড়তে, এখানে ক্লিক করুন>

‘মহাধর্ম’-এর অনুশীলনীয় বা প্রাকটিক্যাল দিকের (সাইডের) নাম— ‘মহামনন’ —আত্ম-বিকাশ যোগ শিক্ষাক্রম। নিষ্ঠার সাথে এই শিক্ষা গ্রহন ও অনুশীলন করলে, একজন মানুষের প্রভূত উন্নতি ও আত্ম-বিকাশ (সেলফ-ডেভলপমেন্ট) ঘটে থাকে।  

সদগুরু— মহর্ষি মহামানস

এ যুগের প্রজ্ঞাবান ঋষি— মহান শিক্ষাবিদ এবং মানোবন্নয়নে আত্ম উৎসর্গীকৃত বহুদর্শী চিন্তাবিদ...

<তাঁর সম্পর্কে জানতে, এখানে ক্লিক করুন>

MAHA
MahaManas Adherents' Holly Association

Free Download Android Apps for Your Mobile: 

 

মহাধর্ম: https://www.androidcreator.com/app356671

মানব ধর্মই মহাধর্ম: https://www.androidcreator.com/app356656

मानवधर्म ही महाधर्म​: https://www.androidcreator.com/app357774

MahaDharma:  https://www.androidcreator.com/app364597

Join our mailing list

Never miss an update

'মহাধর্ম' ই-বুক পড়ুন
প্রথম খন্ড >
দ্বিতীয় খন্ড >